চাঁদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৮ আগষ্ট, ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

ঋণগ্রস্ততার কথা জানালেও পুরো তথ্য দেননি

চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টুর আত্মগোপনের কারণ এখনো অজানা

ছবি: বাংলাধারা

চাঁদপুরের আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস পরিবারসহ হঠাৎ আত্মগোপনে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঋণগ্রস্ততা ও দেনার দায়ের কথা জানালেও কেন স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে পিন্টু দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের উদ্ধারের পর চাঁদপুর সদর মডেল থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দাস জানিয়েছেন, তিনি ঋণগ্রস্ত এবং বিভিন্ন দেনার দায়ে ছিলেন। তবে পরিবার নিয়ে হঠাৎ আত্মগোপনে যাওয়ার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো পুরোপুরি মুখ খুলছেন না তিনি।

তিনি বলেন, আত্মগোপনের পেছনে প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে পিন্টু দাসকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। এ কারণে আপাতত তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে গুরুতর কোনো অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকেও একটি দল চাঁদপুরে আসবে। ওই দল পিন্টু দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার আত্মগোপনের কারণ এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় জড়িত কি না, তা অনুসন্ধান করবে।

পুলিশের ভাষ্য, শুধু ঋণ ও দেনার চাপের কারণেই পিন্টু দাস পরিবারসহ আত্মগোপনে গিয়েছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে তার হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

চাঁদপুর শহরের আলোচিত এই স্বর্ণ ব্যবসায়ী পরিবারসহ আত্মগোপনে যাওয়ার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে পুলিশ চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে পিন্টু দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে। এরপর থেকেই আত্মগোপনের কারণ জানতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়।

সংবাদ সম্মেলনে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদীসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


বাংলাধারা/শারমিন

মন্তব্য করুন