প্রকাশিত: ৫ ঘন্টা আগে, ১০:১৭ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে পরিচিত মুখ মানুষের পাশে থাকার দীর্ঘদিনের কার্যক্রম ঘিরে হাদিরা ইউনিয়নে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ২নং হাদিরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, বাজার ও জনপদে চলছে প্রার্থী ও নেতৃত্ব নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচনায় উঠে এসেছে সুখী পল্লীমা সোসাইটির চেয়ারম্যান এস. এম. আল হেলালের নাম।
হাদিরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন এস. এম. আল হেলাল। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা, খাদ্য সহায়তা, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে সহযোগিতা এবং ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার কথা স্থানীয়রা উল্লেখ করছেন।
স্থানীয়দের একাংশের মতে, জনপ্রতিনিধিত্ব শুধু একটি পদ নয়; মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, তাদের কথা শোনা এবং প্রয়োজনের সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াও নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই বিবেচনায় দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা এস. এম. আল হেলালকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করছেন তার সমর্থকরা।
হাদিরা ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে এস. এম. আল হেলালের। স্থানীয়দের ভাষ্য, কোনো পরিবার বিপদে পড়লে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার চেষ্টা করেন তিনি। এ কারণে অনেকে তাকে ‘মানবিক বন্ধু’ ও ‘দুঃসময়ের আপনজন’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন ধর্মীয়, শিক্ষামূলক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও তার সহযোগিতার কথা স্থানীয়রা তুলে ধরেন।
তার সমর্থকদের দাবি, সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে তার একটি নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিয়েও নিজেদের প্রত্যাশার কথা বলছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশার মধ্যে রয়েছে উন্নত রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থা, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা।
তরুণদের একটি অংশের প্রত্যাশা, ইউনিয়নে খেলাধুলা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও কর্মমুখী কর্মকাণ্ডের সুযোগ আরও বাড়ানো হোক। তাদের মতে, তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয়দের একাংশ মনে করেন, ইউনিয়নের নেতৃত্বে এমন একজন জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন, যিনি সাধারণ মানুষের কাছে থাকবেন, তাদের সমস্যার কথা শুনবেন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
তাদের প্রত্যাশা, ধনী-গরিব, দল-মত কিংবা সামাজিক পরিচয়ের পার্থক্য না করে ইউনিয়নের সব মানুষের জন্য সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বজায় রাখার বিষয়টিকেও তারা গুরুত্ব দিচ্ছেন।
এস. এম. আল হেলালের সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের কারণেই তাকে ঘিরে মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত জনগণ কাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেবেন, সেটি নির্ধারণ করবে হাদিরা ইউনিয়নের ভোটারদের রায়।
চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা যতই বাড়ছে, ততই সামনে আসছে মানুষের প্রত্যাশা, উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার নানা বিষয়। সেই আলোচনায় সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে পরিচিত মুখ হিসেবে এস. এম. আল হেলালের নামও বর্তমানে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচিত হচ্ছে।
বাংলাধারা/
মন্তব্য করুন