বাংলাধারা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়, অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহিত

পবিত্র ঈদুল আযহা-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিচারপতি, রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিদেশি কূটনীতিকদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে জাতীয় ঈদগাহে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ডিএসসিসি। সংস্থাটির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম জানিয়েছেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থার সমন্বয়ে মুসল্লিদের জন্য একটি সুশৃঙ্খল ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। নারী ও পুরুষ মুসল্লিদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ ও নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন।

প্রায় ৩০ হাজার বর্গমিটার আয়তনের জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মধ্যে ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে ১২১টি কাতারের মাধ্যমে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষদের জন্য ৫টি এবং নারীদের জন্য ১টি বিশেষ কাতার নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মুসল্লিদের জন্য ৬৫টি বড় কাতার (পুরুষ) এবং ৫০টি কাতার (নারী) রাখা হয়েছে।

মুসল্লিদের প্রবেশ ও বহির্গমনের সুবিধার্থে ঈদগাহে চারটি প্রবেশদ্বার এবং সাতটি বহির্গমন ফটক রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপি, সাধারণ পুরুষ ও নারী মুসল্লিদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

অজুর জন্য রাখা হয়েছে পৃথক অজুখানা, যেখানে একসঙ্গে প্রায় ১৪০ জন মুসল্লি অজু করতে পারবেন—এর মধ্যে পুরুষদের জন্য ১১৩ জন এবং নারীদের জন্য ২৭ জনের ব্যবস্থা রয়েছে।

এছাড়া ঈদগাহ ময়দানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত ফ্যান ও আলোর ব্যবস্থা, নিরাপদ পানীয় পানি, কার্পেট এবং ভিআইপি কাতারে জায়নামাজ সরবরাহ করা হবে। নারীদের জন্য আলাদা নামাজের স্থান ও প্রয়োজনীয় সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া হয়েছে কঠোর ব্যবস্থা। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং পানি নিরোধক সামিয়ানার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এবারের ঈদ আয়োজনকে আরও আকর্ষণীয় করতে নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন তিনটি প্রবেশদ্বার। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে মুসল্লিদের ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।


বাংলাধারা/এসআর

মন্তব্য করুন