বাংলাধারা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৬ ঘন্টা আগে, ০৮:১০ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

দেশের সব সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহিত

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম গতিশীল করা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ জোরদারে দেশের সব সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন বলেন, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা চট্টগ্রাম বন্দর, ঢাকা বিমানবন্দরসহ দেশের আমদানি-রপ্তানিসংশ্লিষ্ট সব বন্দরে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালুর প্রস্তাব দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি বন্দরে সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পণ্য খালাসের সময় কমবে, সরবরাহ ব্যবস্থা আরও গতিশীল হবে, ব্যবসায়িক ব্যয় হ্রাস পাবে এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে ইতিবাচক গতি আসবে।

ড. মাহদী আমিন জানান, দীর্ঘ সময় ধরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, শিল্পায়নের প্রসার, ব্যবসা সম্প্রসারণ, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) অধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর উপায় এবং বিনিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

এতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রধানরা অংশ নিয়ে নিজ নিজ মতামত তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার বেসরকারি খাতের বিকাশে নীতিগত সহায়তা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ব্যবসা পরিচালনা সহজ করা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ব্যবসাবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও জানান, বৈঠকে ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত বেশ কয়েকটি নীতিগত প্রস্তাবের বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দেওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সরকারের লক্ষ্য ব্যবসা পরিচালনা সহজ করা, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।


বাংলাধারা/শারমিন

মন্তব্য করুন