প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৫:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যার পর হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকা থেকে প্রতি মুহূর্তে উদ্ধার করা হচ্ছে মরদেহ। সর্বশেষ তথ্যে নেপালের পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে ৫৪৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১ হাজার ৪৭৩ জন।
এর আগে নেপালের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা (এনডিআরআরএমএ) ৫৩৮ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছিল।
বর্তমানে বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন ৪ হাজার ৪৭৩ জন পুলিশ সদস্য। তাদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছেন।
দেশটির জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এখনো ৯৭৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃতের সংখ্যা নিয়ে নেপালের পুলিশ ও দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার দেওয়া তথ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।
গত বুধবার সকালে হঠাৎ করে রাসুয়া জেলার দিকে আকস্মিক ঢল নেমে আসে। এ সময় ত্রিশূলি ও নারায়নি নদীর পানি বেড়ে যায়। একই সঙ্গে ফুলেফেঁপে ওঠে ভোটেকোশি নদী। পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির সঙ্গে যুক্ত হয় ভূমিধসের কাদামাটি ও পাথর। এতে ভয়াবহ রূপ নেয় বন্যা পরিস্থিতি।
প্রবল স্রোতের শক্তি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, এর পথে থাকা বিভিন্ন অবকাঠামো প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ বিভিন্ন স্থাপনা পানির স্রোতে ভেসে গেছে।
নেপালের পাশাপাশি চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতও এই দুর্যোগে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অন্তত ৩০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। চীন এর আগে তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল। এরপর নতুন করে হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভয়াবহ এই বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট
বাংলাধারা/শারমিন
মন্তব্য করুন