বাংলাধারা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৬:১৭ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

সীমান্তে ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স ও থার্মাল ড্রোনে নজরদারি করা হবে

ছবি; সংগৃহিত

সীমান্ত এলাকার দুর্গম ও বিস্তৃত স্থানে জনবল দিয়ে হাতে-কলমে নজরদারি সম্ভব নয় বা সুবিধাজনক নয়— এমন জায়গায় ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স, নাইট ভিশন ও থার্মাল ড্রোন ব্যবস্থার মাধ্যমে নজরদারি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সিলেটে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভিল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের এই প্রশিক্ষণ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার যে উদ্যোগ, এটি আমাদের বিজিবি এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অনন্য উদ্যোগ।
তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার এবং রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার ও মেরামতের অঙ্গীকারের মধ্যে একটি বিষয় ছিল, যেটিকে আমরা সবসময় গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের একটি মেধানির্ভর, প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞাননির্ভর বাংলাদেশ গঠন করতে হবে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আমাদের সেভাবেই একটি মেধা, প্রযুক্তি ও জ্ঞাননির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেই লক্ষ্যেই আমাদের সব বাহিনী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল কার্যক্রম বাড়ানো হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। আমাদের উদ্দেশ্য অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। সে জন্য সীমান্ত এলাকার যেসব দুর্গম ও বিস্তৃত স্থানে জনবল দিয়ে হাতে-কলমে নজরদারি করা সম্ভব নয় বা সুবিধাজনক নয়, সেসব স্থানে ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স, নাইট ভিশন এবং থার্মাল ড্রোন ব্যবস্থার মাধ্যমে নজরদারি করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এর ফলে আমরা সীমান্তের ওপারে আমাদের কাউন্টারপার্টকে দেখতে পারবো। পাশাপাশি চোরাচালান, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র যেগুলো পাচার হয়ে বাংলাদেশের ভেতরে আসে সেগুলো চিহ্নিত করতে পারবো এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবো। আপনারা একটু আগে এখানে এর একটি ব্যবহারিক প্রদর্শনী দেখেছেন।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এভাবেই এগিয়ে যাব- এভাবে যদি আমাদের সব বাহিনী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি হয়ে যায়। আজ আমরা এখানে এই স্কুলের উদ্বোধন করেছি এবং এর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেছি। প্রাথমিকভাবে সার্ভিল্যান্স ও ড্রোন ওয়ারফেয়ার বিষয়ে আমাদের বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে বেসামরিক জনবলকেও প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। 

বাংলাধারা/ডেস্ক

মন্তব্য করুন