বাংলাধারা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১০:৫৯ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

ময়লা পানি পরিষ্কার নিয়ে বাকবিতণ্ডা, সূত্রাপুরে একে একে ঝরে গেলো ৩ প্রাণ

ছবি; সংগৃহিত

রাজধানীর সূত্রাপুরের শ্যামবাজার চামারটুলি এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে কক্ষে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে তানিয়া আক্তার (১৭) নামে আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় তার মামাতো ভাই ইমন ও মামা সিদ্দিক বেপারীর মৃত্যু হয়। তানিয়ার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনজনে। গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সূত্রাপুরের শ্যামবাজার চামারটুলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, এলাকার পৈতৃক সম্পত্তিতে তানিয়া ও ইমনরা পাশাপাশি বসবাস করতেন। শুক্রবার বাসার সামনে জমে থাকা ময়লা পানি পরিষ্কার করা নিয়ে ইমনের বোন সুলতানার সঙ্গে তানিয়ার বাগবিতণ্ডা হয়। পরে সুলতানা বিষয়টি মোবাইল ফোনে ইমনকে জানালে তিনি সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসেন। ফিরে এসে তিনি হুমকি দেন, ‘নিজে তো মরব, সাথে সবাইকে নিয়ে মরব’। এরপর তিনি তার কক্ষে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় ইমন, তার বাবা ও তানিয়াসহ আরও কয়েকজন ওই কক্ষে ছিলেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তানিয়ার মৃত্যু হয়। তার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সূত্রাপুরের শ্যামবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তানিয়া আক্তারের শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার  দিবাগত রাত সোয়া ২ টার দিকে একই ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তানিয়ার মামা সিদ্দিক বেপারী (৫৫) মারা যান। তার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।গত রোববার বেলা ১১ টা ৫০ মিনিটে মারা যান সিদ্দিকের ছেলে ইমন (২৫)। তার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

বাংলাধারা/ডেস্ক

মন্তব্য করুন