বাংলাধারা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৩ ঘন্টা আগে, ১০:৩২ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

কাঁটাবনের বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুন: নিহত ২

ছবি: সংগৃহিত

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের কাঁটাবন এলাকার আল বারাকা টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মো. জনি (২৪) ও আবদুস সালাম (২০) নামে দুই তরুণের মৃত্যু হয়েছে। তারা দুজনই দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে ভবনটির ১০ম ও ১১তম তলায় আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালায়। শেষ পর্যন্ত রাত ৩টা ৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

অগ্নিকাণ্ডের পর ভবনটি থেকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় জনিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এবং আবদুস সালামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া মো. নাজমুল ও সরোয়ার জানান, আগুন লাগার পর মুহূর্তেই ভবনের ভেতরে ঘন ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। এতে ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন জনি ও আবদুস সালাম। পরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পৃথক দুটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তাদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

নিহত আবদুস সালামের বাড়ি বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার বড় ভাদাহার এলাকায়। তিনি মো. সেলিম সরকারের ছেলে এবং বর্তমানে আল বারাকা টাওয়ারের ১১তম তলায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমানের ক্লার্ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

অন্যদিকে, নিহত জনির বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বাবুন্দিয়া গ্রামে। তিনি বাবুল মিয়ার ছেলে এবং সাবেক উপদেষ্টা হাসান আরিফের ছেলে ব্যারিস্টার মোয়াজের ক্লার্ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাধারা/শারমিন
 

মন্তব্য করুন