প্রকাশিত: ১৭ ঘন্টা আগে, ০৯:৫৯ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
ইরানে টানা দুই সপ্তাহ বিমান হামলা চালানোর পর গত দুই দিন ধরে অভিযান স্থগিত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কাই এ সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
রোববার (২৬ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের মধ্যে ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা থেকে সাময়িকভাবে সরে আসে হোয়াইট হাউস।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শুক্রবার ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা আরও জোরদারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরবর্তী বৈঠকের পর সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন তিনি।
বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ডেন কেইন বৈঠকে সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরের হামলা চালানো সম্ভব হলেও এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর হাতে থাকা ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে। এতে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ব্যাপক হামলা চালিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসানো যাবে, এমন ধারণা নিয়েও এখন প্রশাসনের ভেতরে সংশয় তৈরি হয়েছে। তাদের মূল্যায়ন, সাম্প্রতিক হামলাগুলো ইরানের অভ্যন্তরীণ বিভাজন কমিয়ে বরং দেশটিকে একটি ‘বিদেশি হুমকির’ বিরুদ্ধে আরও ঐক্যবদ্ধ করেছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার ও শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে কোনো নতুন বিমান হামলা চালায়নি। যদিও এ বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
বাংলাধারা/শারমিন
মন্তব্য করুন