প্রকাশিত: ১৮ আগষ্ট, ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ঢাকা গুলশান-বনানী লেক পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, স্থানীয় কমিউনিটি ও অন্যান্য অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।মঙ্গলবার (১৮ আগষ্ট) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (DNCC) ষষ্ঠ তলার মিনি অডিটোরিয়ামে রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ কনসালটেন্টস লিমিটেড (RDRC) ও DNCC-এর যৌথ উদ্যোগে রি-ওয়েট (ReWET) প্রকল্পের ‘অভিজ্ঞতা বিনিময় (Knowledge Exchange)’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে গুলশান-বনানী লেকের পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নগর কৃষি, নেচার-বেইজড সলিউশন এবং কমিউনিটি নেতৃত্বাধীন উদ্যোগের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন DNCC-এর প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান, পিএসসি। প্রধান অতিথি ছিলেন DNCC-এর প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রি-ওয়েট প্রকল্পের কো-লিড ও যুক্তরাষ্ট্রের স্মিথ কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইফাদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাজ্যের IIED-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার বেথ ডাউনি।মূল প্রবন্ধে ইফাদুল হক বলেন, রি-ওয়েট একটি এভিডেন্স-বেসড আরবান ওয়েটল্যান্ড রেস্টোরেশন মডেল। গবেষণা ও প্রমাণভিত্তিক তথ্যের আলোকে শহুরে জলাভূমির পরিবেশগত ও সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় এ প্রকল্প কাজ করছে। ডেমোনস্ট্রেশন গ্রাউন্ডে প্রায় ১৫০ ফুট দীর্ঘ সেমি-সার্কুলার বাঁশের কাঠামো তৈরি করে ২৩ ধরনের টুলকিট পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। মাছ চাষের পাশাপাশি ভেজিটেশন ও ফ্লোটিং গার্ডেন স্থাপনের মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য ও খাদ্যনিরাপত্তা উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
RDRC-এর ট্রেজারার মো. আমিনুর রসুল বলেন
বাংলাধারা/ডেস্ক
মন্তব্য করুন