প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০১:৫৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের মাধ্যমে সেই দাবি পূরণ হয়েছে। আজ ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আপনারা এই বিশ্ববিদ্যালয়টি দেখে রাখবেন, খেয়াল রাখবেন। আপনাদের আন্তরিকতার জন্য আমি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনারাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি রেখেছিলেন। সেই দাবি আজ বাস্তবায়িত হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে প্রস্তাবিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। অল্প সময়ের মধ্যে তার নির্দেশনায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে যেখানে আমরা এখন জায়গা পেয়েছি, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই জায়গা শিল্প মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁও সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় জমি নেওয়া হবে। এ জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় ও সুগার মিল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানসহ যারা এখানে এসেছেন, তাদের প্রতিও আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তারা অতি অল্প সময়ের মধ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করেছেন।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা ও অবকাঠামোর কাঠামো তৈরি হবে। এর মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের এই এলাকার মানুষের জন্য আজ আনন্দের দিন। আনন্দের দিন এই কারণে যে আমরা একটি সুযোগ পেয়েছি। উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে আমরা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করব। আমরা বিশ্বাস করি, এ এলাকার মানুষ সেই সুযোগ গ্রহণ করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে সত্যিকার অর্থে শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নিতে তিনি চেষ্টা করে যাচ্ছেন। উপাচার্য এ অঞ্চলের মানুষ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক ছিলেন। তার জন্ম পার্শ্ববর্তী আটোয়ারী উপজেলায়।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সদস্যরা, যারা অত্যন্ত উচ্চশিক্ষিত মানুষ, তাদের পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়টি দ্রুত এগিয়ে যাবে।
রাষ্ট্রপতির নিজ বাসভবনে ফিরে মধ্যাহ্নভোজ ও সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার কথা রয়েছে। পরে সার্কিট হাউসে আনুষ্ঠানিকতা শেষে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে ঠাকুরগাঁও ছাড়বেন তিনি।
বাংলাধারা/ডেস্ক
মন্তব্য করুন