প্রকাশিত: ১৭ আগষ্ট, ২০২৬, ০৮:১২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
এমপি রফিকুল আলম মজনু ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উচ্ছেদ অভিযানের পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন ছাগলনাইয়ার সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের দখলে থাকা সড়ক ও ফুটপাত মুক্ত হওয়ায় প্রসংশায় ভেসেছিল প্রশাসন। তবে সেই স্বস্তি বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। অভিযানের কয়েক দিন যেতে না যেতেই আবারও পুরনো রূপে ফিরেছে ফুটপাত ও সড়ক, সাথে যুক্ত হয়েছে নতুন হারে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে একটি বড় সিন্ডিকেট ছাগলনাইয়ার প্রধান প্রধান সড়ক ও ফুটপাত দখল করে ভাসমান দোকান বসিয়ে মাসিক ভিত্তিতে মোটা অঙ্কের চাঁদা তুলে আসছিল। সাম্প্রতিক অভিযানের পর এসব অবৈধ দখলদার হটিয়ে রাস্তা চলাচলের উপযোগী করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি নতুন সিন্ডিকেটটি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কেবল রাস্তা দখলই নয়, এবার নতুন দর নির্ধারণ করে তোলা হচ্ছে চাঁদা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছাগলনাইয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর দুই পাশে আবারও বসেছে অস্থায়ী দোকান। ফলে সড়ক সংকুচিত হয়ে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ পথচারী ও যাত্রীরা।আলাউদ্দিন নামের ভাসমান ব্যবসায়ী জানান, অভিযানের পর কিছুদিন বন্ধ থাকলেও সিন্ডিকেটের নির্দেশে তারা আবারও বসতে বাধ্য হয়েছেন। এবার পূর্বের চেয়ে বেশি হারে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। চাঁদা না দিলে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।অভিযানের পরপরই পুনরায় দখল ও চাঁদাবাজির এমন ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর শাস্তির অভাব থাকায় উচ্ছেদ অভিযান কোনো কাজে আসছে না।এ বিষয়ে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা এমপি রফিকুল আলম মজনু এবং উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। সাধারণ মানুষের দাবি, কেবল সাময়িক উচ্ছেদ অভিযান নয়, দখলদার ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা না নিলে ছাগলনাইয়াবাসীকে স্থায়ী দুর্ভোগ পোহাতে হবে।
বাংলাধারা/ডেস্ক
মন্তব্য করুন