প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ১১:১১ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার কিছু পর তিনি ভাষণ দেন। আর ভাষণের শুরুতেই ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে বাংলাদেশ বর্তমানে ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত’ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দীর্ঘ দেড় দশকের আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে বাংলাদেশ বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।”
এরসঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। স্বাধীনতার পর গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগকারীদেরও স্মরণ করেন।
অপরদিকে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণই আমাদের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।”
নিজের ভাষণে বাংলাদেশকে ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা জানান তিনি।
তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের জন্য স্টার্টআপ উদ্যোগ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি করতে চলতি অর্থবছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামনে বর্তমানে সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত। ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
ভাষণের শুরুতে ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। দায়িত্ব পালনের সময় তাকে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি। একই সঙ্গে বিদায়ী সভাপতি আনালেনা বেয়ারবককে তার নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জানান।
বাংলাধারা/ডেস্ক
মন্তব্য করুন