ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। পুনর্গঠিত কমিটিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামকে আহ্বায়ক এবং তানভীর আহমেদ রবিনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।এ ছাড়া আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েলকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আ ন ম সাইফুল ইসলামকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।রোবার (৮ নভেম্বর) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।নতুন এই কমিটির মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।প্রসঙ্গত, সদ্য ভেঙে দেওয়া কমিটিতে রফিকুল ইসলাম মজনু আহ্বায়ক ও তানভীর আহমেদ রবিন সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন।এ সরকার বএিনপরি সরকার না, হাসনিার সরকার : অলি আহমদে
এলডপিরি প্রসেডিন্টে ও সাবকে মন্ত্রী র্কনলে (অব.) অলি আহমদে বীর বক্রিম বলছেনে, দেেশ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ হয়ে যাব,ে সজেন্য বএিনপি র্কমীদরে ঘরে ঘরে হাহাকার শুরু হয়ে গছে।ে এ সরকার বএিনপরি সরকার না, হাসনিার সরকার। আমরা দশেকে সঠকি পথে আনার জন্যই লংর্মাচ করছ।ি কোনো মুনাফকেরে কথায় আপনারা বপিথগামী হবনে না। শনবিার (১৯ সপ্টেম্বের) সকালে রাজধানীর মানকি ময়িা অ্যাভনিউিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যরে ঢাকা-রংপুর লংর্মাচরে উদ্বোধনী সমাবেেশ তিিন এসব কথা বলনে।
সাবকে মন্ত্রী অলি আহমদে বলনে, বএিনপরি প্রতিিট র্কমীর ঘরে ঘরে আজ কান্নার রোল শুরু হয়ে গছে।ে কারণ হলো—একসময় রাশয়িার প্রসেডিন্টে ছলিনে অত্যন্ত শক্তশিালী নতো ক্রুশ্চভে। হঠাৎ যখন তার বরিুদ্ধে রাস্তায় সংগ্রাম শুরু হলো, তখন তার মা ঘরে জোরে জোরে কান্নাকাটি শুরু করলনে। কান্না কছিুতইে থামছে না দেেখ সবাই এসে জানতে চাইল—পৃথবিীর এত বড় নতোর মা হয়ে আপনি কনে কাঁদছনে? তখন মা জবাব দলিনে, ওর ক্ষমতা চলে গেেল আমাদরে কী অবস্থা হব?ে এই র্মাবলেরে বাড়,ি বড় বড় গাড়ি আর ভালো খাবার—এসব আমরা আর কোথায় পাবো?
তিিন বলনে, ক্ষমতার থেেক চলে গেেল আজকে বএিনপরি একই অবস্থা, চাঁদাবাদী বন্ধ হয়ে যাব,ে সন্ত্রাসী বন্ধ হয়ে যাব,ে মাস্তানি বন্ধ হয়ে যাব।ে তারকেরে যে সরকার এটা বএিনপরি সরকার না, এটা হলো হাসনিার সরকার। তারকেকওে সাবধান হতে হব,ে দশেবাসীকওে সাবধান হতে হব।ে
অলি আহমদে আরও বলনে, আমরা এই রোড র্মাচ করছি শুধু দশেকে সঠকি পথে আনার জন্য, কোনো ক্ষমতার লোভে নয়, ব্যক্তগিত কোনো লোভে নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে থাকনে, বপিদগামী হবনে না। ফসেবুকে কে কি লখিলো, কোন মোনাফকে কি লখিলো, কোন বইেমান কি লখিলো, ভারতরে দালালরো কি লখিলো, সটোর দেিক গণ্ডপাত করবনে না। নজিরে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যা যা করা প্রয়োজন, তা ঈমানী শক্তেিত বলীয়ান হয়ে করবনে।
বাংলাদশে খলোফত মজলসিরে আমরি মামুনুল হক বলনে, সরকারকে পরষ্কিারভাবে বলছ,ি গণভোটরে গণরায় বাস্তবায়ন করতে হব।ে রায় বাস্তবায়ন না করলে ইতহিাসে বশ্বিাসঘাতক হসিেেব চহ্নিতি হব।ে
তিিন বলনে, আমরা র্বতমান সরকারকে সর্তক করার জন্য এই র্কমসূচেিত নাম নমেছে।ি আমাদরে আন্দোলনরে দ্বতিীয় র্পব চলছ।ে র্বতমান সরকার বএিনপি মদনিার ইসলামরে কথা বলছেনে। মদনিার ইসলামরে কথা যদি বলে থাকনে আর যদি মদনিাওয়ালার সম্মান রক্ষা করতে চান কাদারয়িার বশ্বিাসঘাতকতার পথ পরহিার করতে হব।ে কোনো ভোটরে গণরায় যদি র্কাযকর করতে র্ব্যথ হন, ইতহিাসরে পাতায় বশ্বিাসঘাতক র্পাটি হসিেেব আপনারা চহ্নিতি হয়ে থাকবনে।
তিিন বলনে, লং র্মাচ র্কমসূচি নেিয় সরকার প্রধান থেেক তাদরে দল এবং তাদরে লসেপন্সোরদরে সবার মাথা নষ্ট হয়ে গয়িছে।ে আমরা বলতে চাই, আজ দল দায়ত্বির্পূণ বেিরাধীদলীয় ভূমকিা পালন করছ।ে আমরা হরতালে যাইন।ি আমরা অপরাধে যাইন। জনর্দুভোগ যতটা লাঘব করা যায়, আমরা আমাদরে র্কমসূচেিত নজরিবহিীনভাবে তার প্রতি লক্ষ্য রখেছে।মামুনুল হক বলছেনে, ১১ দল বাংলাদশেরে আন্দোলন-সংগ্রামরে অতীত ইতহিাস বদলে দেিয় এক নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করব।আমাদরে আন্দোলন হবে শান্তপর্ূিণ এবং গণসম্পৃক্ত। গোটা দশেরে কোটি কোটি জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করে যে আন্দোলন গড়ে উঠব, তাতে বএিনপি জনগণরে দাবি আদায়ে র্ব্যথ হলে ভেেস যাব।
বাংলাদশে জামায়াতে ইসলামীর সক্রেটোরি জনোরলে ময়িা গোলাম পরওয়ার বলছেনে, র্বতমান সরকার জুলাই সনদ ও গণভোটরে রায় বাস্তবায়ন না করে যে প্রতারণা ও বশ্বিাসঘাতকতা করছে, তা কোটি কোটি মানুষরে কাছে তুলে ধরতইে তারা এই লংর্মাচ করছনে।
ছাত্রশবিরিরে কন্দ্রেীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম বলনে, বএিনপি সরকার মাত্র সাত মাসরে ব্যবধানে জনবচ্ছিন্নি হয়ে পড়ছে। সরকার জুলাই সনদরে সঙ্গে প্রতারণা করছে।ে ক্যাম্পাসগুলো অস্থতিশিীল করছ।
বাংলাধারা/ডেস্ক
মতামত