ঢাকা    রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
লগইন ই-পেপার
EN
বাংলা ধারা

এই সরকার জনগণের নয়, সিন্ডিকেটের : শফিকুল ইসলাম মাসুদ


প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

এই সরকার জনগণের নয়, সিন্ডিকেটের : শফিকুল ইসলাম মাসুদ

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, এই সরকার জনগণের সরকার নয়, এটি সিন্ডিকেটের সরকার। এই সরকার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সবকিছু পরিচালনা করছে। এমনকি দলের অনেক এমপি-মন্ত্রীও জানেন না, বর্তমান সরকার কীভাবে দেশ পরিচালনা করছে। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সিলিন্ডার গ্যাস, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। শুধু তা না, আমাদের দেশে আপনারা খেয়াল করবেন, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শুধুমাত্র গ্যাসের দাম বাড়ে না। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে একেবারে আলু, পেঁয়াজ, রসুন থেকে শুরু করে সমস্ত কিছুর দাম চক্রবৃদ্ধির হারে আমাদের মার্কেটগুলোতে বাড়িয়ে দেয়। কারণ, এই সরকার যে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করে, এটার সঙ্গে সরকারের একটা সিন্ডিকেট জড়িত। ওই সিন্ডিকেটের সঙ্গে বাজার সিন্ডিকেট সম্পৃক্ত। তারা যখন ওখানে এক টাকা বৃদ্ধি করে, সঙ্গে সঙ্গে বাজারের দ্রব্যমূল্য এক বাড়ানোর জন্য মেসেজ দিয়ে দেয়।’তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে একজন বলেছে যে ভাই, এই সরকার শুধু গ্যাস সিন্ডিকেট করে না, এই সরকার শুধু বাজার সিন্ডিকেট করে না, এই সরকার শুধুমাত্র চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট করে না, এই সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটা সিন্ডিকেটের মধ্যে পরিচালিত। ওই সিন্ডিকেটটাকে পরিচালনা করে। এমনকি দলের লোকরা পর্যন্ত বহু এমপি-মন্ত্রী জানে না, এই বর্তমান সরকার কীভাবে দেশ পরিচালনা করছে। এটা বিএনপি সরকার না, এটা জনগণের সরকার না। জনগণ বলতে শুরু করেছে, এটা একটা সিন্ডিকেটের সরকার।’বাজার পরিস্থিতির সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘এই সিন্ডিকেটের সরকার সবকিছুকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালনা করছে। গ্রামের যে ফসলের দাম ৫ টাকা, সেই ফসল ঢাকায় আসার পর দাম হয়ে যায় ৭৫ টাকা। মাঝখানে ৭০ টাকা বর্তমান সরকারের সিন্ডিকেট এবং অতিরিক্ত চাঁদাবাজির কারণে সাধারণ জনগণকে বহন করতে হচ্ছে।’শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের বেতন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শ্রমিকদের এই আন্দোলনে ২৫ হাজার, ৩০ হাজার টাকা দেওয়া ব্যাপার না। যদি বর্তমান সরকারের চাঁদাবাজ শিল্প এলাকা থেকে চাঁদাবাজি বন্ধ করে তাদের ৩০ হাজার টাকা দেওয়া এই শিল্প মালিকদের পক্ষে সম্ভব। চাঁদাবাজির কারণে এটা দেওয়া সম্ভব হয় না।’সরকারের গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এই অবিচার, এই জুলুম, এই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি চাইলেই তারা মাসের মধ্যে দুইবার, তিনবার করে গ্যাসের মূল্য বাড়িয়ে নিতে পারেন। অথচ তাদের কথা ছিল, ৩১ দফায় তাদের উল্লেখ ছিল, দুই বছরের মধ্যে তারা গ্যাসের দাম এবং বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করবে না।’তিনি আরও বলেন, ‘এই সরকার শুরু থেকেই জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা, মুনাফেকি এবং প্রতারণা করে যাচ্ছে। এই সরকারের কোনো জবাবদিহি নেই। এই সরকার জনগণের সরকার নয়, এই সরকার ধোঁকাবাজি এবং মুনাফিকের সরকার।’২০২৪ সালের গণ-আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘এই ধোঁকাবাজ সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের ২০২৪-এর গণ-আন্দোলন হয়েছে। বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, আরেকটা জুলাই ঠেকানোর জন্যই সংবিধানের সংশোধন প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ভালো করে কান খুলে শোনেন, এই একই কথা শেখ হাসিনা বলেছিল। তার নিজের পছন্দমতো সংবিধান সংশোধন করেছিল। সংবিধান সংশোধন করে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি, সুবিধামতো পদত্যাগ করতে পারেনি, মিথ্যা দেশত্যাগ পর্যন্ত করতে হয়নি। তার এই অন্যায়ের কারণে জনগণের রোষানলে পড়ে সকালের খাবার রেখে দুপুরে তাকে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘আপনি প্রস্তুতি গ্রহণ করুন, আপনাকে সেই পথের পথিক হতে হবে। আপনি সংবিধান সংশোধন করে জুলাই ঠেকানোর প্রক্রিয়ায় যাচ্ছেন না। বরং আরেকটা জুলাইয়ের আগে আরেকটা জুন, এমন হবে আরেকটা মাস হবে, আরেকটা এপ্রিল মাস হবে, আরেকটা ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাস হবে। যেই মাস, যেই ফেব্রুয়ারি, যেই এপ্রিল, যেই মে, জুন আপনার জন্য আরেকটা ধ্বংসের পরিণতি বয়ে আনতে পারে।’সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য জনগণের কথায় কর্ণপাত করুন। সংবিধান সংস্কারের জন্য বিরোধী দলসহ সংবিধান বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বসুন। আগামীকাল থেকে সংসদ শুরু। সংসদের প্রাণবন্ত আলোচনার মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। অন্যথায় আপনাদের বিরুদ্ধে আজ তথা বিরোধী দলের যে আট দফা, যে কোনো মুহূর্তে এক দফায় পরিণত হতে বাধ্য হবে। তার আগেই আপনারা আপনাদের সংশোধন করবেন, সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।’

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি নুরুল ইসলাম বুলবুল সিলিন্ডার গ্যাস, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশের সভাপতিত্ব করেছেন। সভাশেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। সেখানে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা শাখার নেতারা অংশ নিয়েছেন।

বাংলাধারা/ডেস্ক

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

বাংলা ধারা

রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


এই সরকার জনগণের নয়, সিন্ডিকেটের : শফিকুল ইসলাম মাসুদ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, এই সরকার জনগণের সরকার নয়, এটি সিন্ডিকেটের সরকার। এই সরকার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সবকিছু পরিচালনা করছে। এমনকি দলের অনেক এমপি-মন্ত্রীও জানেন না, বর্তমান সরকার কীভাবে দেশ পরিচালনা করছে। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সিলিন্ডার গ্যাস, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। শুধু তা না, আমাদের দেশে আপনারা খেয়াল করবেন, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শুধুমাত্র গ্যাসের দাম বাড়ে না। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে একেবারে আলু, পেঁয়াজ, রসুন থেকে শুরু করে সমস্ত কিছুর দাম চক্রবৃদ্ধির হারে আমাদের মার্কেটগুলোতে বাড়িয়ে দেয়। কারণ, এই সরকার যে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করে, এটার সঙ্গে সরকারের একটা সিন্ডিকেট জড়িত। ওই সিন্ডিকেটের সঙ্গে বাজার সিন্ডিকেট সম্পৃক্ত। তারা যখন ওখানে এক টাকা বৃদ্ধি করে, সঙ্গে সঙ্গে বাজারের দ্রব্যমূল্য এক বাড়ানোর জন্য মেসেজ দিয়ে দেয়।’তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে একজন বলেছে যে ভাই, এই সরকার শুধু গ্যাস সিন্ডিকেট করে না, এই সরকার শুধু বাজার সিন্ডিকেট করে না, এই সরকার শুধুমাত্র চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট করে না, এই সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটা সিন্ডিকেটের মধ্যে পরিচালিত। ওই সিন্ডিকেটটাকে পরিচালনা করে। এমনকি দলের লোকরা পর্যন্ত বহু এমপি-মন্ত্রী জানে না, এই বর্তমান সরকার কীভাবে দেশ পরিচালনা করছে। এটা বিএনপি সরকার না, এটা জনগণের সরকার না। জনগণ বলতে শুরু করেছে, এটা একটা সিন্ডিকেটের সরকার।’বাজার পরিস্থিতির সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘এই সিন্ডিকেটের সরকার সবকিছুকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালনা করছে। গ্রামের যে ফসলের দাম ৫ টাকা, সেই ফসল ঢাকায় আসার পর দাম হয়ে যায় ৭৫ টাকা। মাঝখানে ৭০ টাকা বর্তমান সরকারের সিন্ডিকেট এবং অতিরিক্ত চাঁদাবাজির কারণে সাধারণ জনগণকে বহন করতে হচ্ছে।’শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের বেতন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শ্রমিকদের এই আন্দোলনে ২৫ হাজার, ৩০ হাজার টাকা দেওয়া ব্যাপার না। যদি বর্তমান সরকারের চাঁদাবাজ শিল্প এলাকা থেকে চাঁদাবাজি বন্ধ করে তাদের ৩০ হাজার টাকা দেওয়া এই শিল্প মালিকদের পক্ষে সম্ভব। চাঁদাবাজির কারণে এটা দেওয়া সম্ভব হয় না।’সরকারের গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এই অবিচার, এই জুলুম, এই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি চাইলেই তারা মাসের মধ্যে দুইবার, তিনবার করে গ্যাসের মূল্য বাড়িয়ে নিতে পারেন। অথচ তাদের কথা ছিল, ৩১ দফায় তাদের উল্লেখ ছিল, দুই বছরের মধ্যে তারা গ্যাসের দাম এবং বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করবে না।’তিনি আরও বলেন, ‘এই সরকার শুরু থেকেই জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা, মুনাফেকি এবং প্রতারণা করে যাচ্ছে। এই সরকারের কোনো জবাবদিহি নেই। এই সরকার জনগণের সরকার নয়, এই সরকার ধোঁকাবাজি এবং মুনাফিকের সরকার।’২০২৪ সালের গণ-আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘এই ধোঁকাবাজ সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের ২০২৪-এর গণ-আন্দোলন হয়েছে। বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, আরেকটা জুলাই ঠেকানোর জন্যই সংবিধানের সংশোধন প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ভালো করে কান খুলে শোনেন, এই একই কথা শেখ হাসিনা বলেছিল। তার নিজের পছন্দমতো সংবিধান সংশোধন করেছিল। সংবিধান সংশোধন করে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি, সুবিধামতো পদত্যাগ করতে পারেনি, মিথ্যা দেশত্যাগ পর্যন্ত করতে হয়নি। তার এই অন্যায়ের কারণে জনগণের রোষানলে পড়ে সকালের খাবার রেখে দুপুরে তাকে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘আপনি প্রস্তুতি গ্রহণ করুন, আপনাকে সেই পথের পথিক হতে হবে। আপনি সংবিধান সংশোধন করে জুলাই ঠেকানোর প্রক্রিয়ায় যাচ্ছেন না। বরং আরেকটা জুলাইয়ের আগে আরেকটা জুন, এমন হবে আরেকটা মাস হবে, আরেকটা এপ্রিল মাস হবে, আরেকটা ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাস হবে। যেই মাস, যেই ফেব্রুয়ারি, যেই এপ্রিল, যেই মে, জুন আপনার জন্য আরেকটা ধ্বংসের পরিণতি বয়ে আনতে পারে।’সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য জনগণের কথায় কর্ণপাত করুন। সংবিধান সংস্কারের জন্য বিরোধী দলসহ সংবিধান বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বসুন। আগামীকাল থেকে সংসদ শুরু। সংসদের প্রাণবন্ত আলোচনার মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। অন্যথায় আপনাদের বিরুদ্ধে আজ তথা বিরোধী দলের যে আট দফা, যে কোনো মুহূর্তে এক দফায় পরিণত হতে বাধ্য হবে। তার আগেই আপনারা আপনাদের সংশোধন করবেন, সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।’

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি নুরুল ইসলাম বুলবুল সিলিন্ডার গ্যাস, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশের সভাপতিত্ব করেছেন। সভাশেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। সেখানে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা শাখার নেতারা অংশ নিয়েছেন।

বাংলাধারা/ডেস্ক


বাংলা ধারা

সম্পাদক ও প্রকাশক: নুরুল আফছার
প্রধান সম্পাদক : .
বার্তা সম্পাদক : আহমেদ সাহেদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ধারা
এই সরকার জনগণের নয়, সিন্ডিকেটের : শফিকুল ইসলাম মাসুদ
0:00 0:00
1.0x