প্রকাশিত: ৭ ঘন্টা আগে, ০৫:০৯ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও উজানের পানিতে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা : প্রাণহানি বেড়ে ৫০, ক্ষতিগ্রস্ত ৮০ হাজার বসতবাড়ি

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল উজানের পানিতে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো বিভাগের হাজার ৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৩৪ হাজার ৭২৩ জন মানুষ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭৯ হাজার ১৮৭টি বসতঘর, ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাজার ৮৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩৩৯টি সেতু কালভার্ট।

রোববার (১২ জুলাই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিভাগের ১১ জেলার মোট ৪০৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। কক্সবাজারে ৭৪টি, রাঙামাটিতে ৪২টি, খাগড়াছড়িতে ৪১টি এবং বান্দরবানে ৩৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে।

বন্যায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। জেলাটিতে মারা গেছেন ২৮ জন। চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া রাঙামাটি ও কক্সবাজারে একজন করে মোট দুইজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রাম জেলায়। জেলার ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন ২২ হাজার ৬০০ মানুষ। কক্সবাজারে ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৮০ জন, বান্দরবানে ২০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬ হাজার ২৫০ জন, রাঙামাটির ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৯০৩ জন এবং খাগড়াছড়ির ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৮১ জন অবস্থান করছেন।

বন্যায় কক্সবাজারে ৪৮ হাজার ৬৩টি, বান্দরবানে ১৫ হাজার ৩৩০টি, চট্টগ্রামে ১৪ হাজার ২৮১টি, রাঙামাটিতে ৪৭৩টি এবং খাগড়াছড়িতে ১ হাজার ৪০টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ত্রাণ সহায়তার অংশ হিসেবে বিভাগের বিভিন্ন জেলায় মোট ৯২৩ মেট্রিক টন চাল, ৭ হাজার ২৮১ প্যাকেট শুকনা খাবারের প্যাকেট এবং ১ কোটি ২৭ লাখ নগদ টাকা বিতরণ কর হয়েছে।

মন্তব্য করুন