বাংলাধারা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৭ ঘন্টা আগে, ১১:৫৭ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

মানুষের মাঝে আশার আলো জ্বালাচ্ছে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

ছবি; সংগৃহিত

বাংলাদেশে গত দেড় দশকে রাজনীতির মাঠে ত্যাগ-তিতিক্ষা আর হারানোর হিসাব কোনো গল্প নয়, বরং এক নির্মম বাস্তব চিত্র। দীর্ঘ এই সময়ে গুম, খুন, পঙ্গুত্ব ও রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়েছেন হাজারো মানুষ; দীর্ঘায়িত হয়েছে স্বজন হারানোর তালিকা। দিনের পর দিন কষ্টে কেটেছে অনেক নেতা-কর্মীর জীবন। 
ভুক্তভোগী এই মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর বিশেষ সেল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ গঠন করা হয়। তবে রাজনীতির বাইরে গিয়ে বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম সামাজিক ও মানবিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে। এ সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে মানবিক সহায়তার অনেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমার পাশে দাঁড়িয়েছেন; তার গৃহ নির্মাণে আর্থিক অনুদান এবং ক্যানসারে আক্রান্ত মা ভূজোপতি চাকমার চিকিৎসায় সহায়তা করেছেন। 
শুধু ঋতুপর্ণাই নয়, দেশের অগণিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে তারেক রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’। মানুষের দ্বারে দ্বারে সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে এই মানবিক সংগঠন। 
ঋতুপর্ণার পাশে দাঁড়াতে গত বছর সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী রাঙামাটির পাহাড়ি দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে তার বাড়ি পৌঁছান। সেখানে তার অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন তিনি।
একইভাবে সেন্টমার্টিনে ১৮ জেলে পরিবারকে খাদ্য সহায়তা, মৌলভীবাজারে বিএসএফের গুলিতে নিহত স্বর্ণার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে তরুণ ড্রোন উদ্ভাবকের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও সহযোগিতা এবং  রাজনৈতিক কর্মী থেকে শুরু করে জেলে, রিকশাচালক, উদ্ভাবক, এতিম শিশুসহ সব শ্রেণির মানুষের কাছেই পৌঁছেছে সংগঠনটির সহায়তা।
আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০২৪ সালের ২২ মার্চ যাত্রা শুরু করে সংগঠনটি। তবে এর কার্যক্রম আরও আগে থেকে শুরু হয়। আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের নেতৃত্বে অল্প সময়ের মধ্যেই এটি দলীয় ফোরাম থেকে দেশের অন্যতম মানবিক প্লাটফর্মে রূপ নিয়েছে। 
রাজনৈতিক সহিংসতা, গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে গড়ে ওঠে আমরা বিএনপি পরিবার। সংগঠনটি বর্তমানে চিকিৎসা, শিক্ষা, পুনর্বাসন ও সামাজিক সহায়তামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর সংগঠনটির কার্যক্রম নতুন করে আলোচনায় আসে।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে নিহত হন তরুণ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ। এর কিছুদিন পর জানা যায়, তার ছোট ভাই জিসান (১৪) কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত। এরই মধ্যে তাদের বাবাও না ফেরার দেশে চলে যান। 
এক ছেলেকে হারিয়ে পাগল প্রায় মা ফাতেমা-তুজ-জোহরার জীবনে নেমে আসে অনিশ্চয়তার অন্ধকার। একদিকে স্বামী আর বড় সন্তান হারানোর শোক, অন্যদিকে ছোট ছেলের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন। 
জীবনের এই কঠিন সময়ে তার পাশে দাঁড়ায় আমরা বিএনপি পরিবার। তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জিসানের পুরো চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। অর্থ সহায়তায় ছেলের জীবন ফিরে পেয়ে জিসানের মা ফাতেমা-তুজ-জোহরা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন।
তিনি বাসস-কে বলেন, ‘আল্লাহর রহমত আর আমরা বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে যে সহযোগিতা পেয়েছি, তা কোনো দিন শোধ করার মতো নয়। সংগঠনটি আমার জিসানের চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ বহন করেছে। এ মানবতা আজীবন মনে রাখব।’
শুধু জিসানের পরিবারই নয়, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর রাজপথে বুলেটের আঘাতে পঙ্গুত্ববরণ করা তরুণ, দৃষ্টি হারানো শিক্ষার্থীর পরিবারের পাশে দাঁড়ায় এ সংগঠন। ওই সময় শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, পঙ্গু হাসপাতাল, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, এনাম মেডিকেল ও কুর্মিটোলাসহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে আহতদের জরুরি চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা।
সংগঠনটির তথ্য মতে, ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আহত ৩৩ জন ছাত্র-জনতার মধ্যে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। ২৫ আগস্ট পঙ্গু হাসপাতাল, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, এনাম মেডিকেল ও কুর্মিটোলা হাসপাতালে আহত ৩১ জনকে অনুদান দেওয়া হয়। একই বছরের ১৬ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা সহায়তা করা হয়। ২৬ অক্টোবর রাজধানীর উত্তরায় ১৯টি পরিবারকে ১০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়। ৭ ডিসেম্বর জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে আহতদের চিকিৎসায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা সহায়তা করা হয়।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত আমরা বিএনপি পরিবার ২৯২টি শহীদ পরিবার ও ২৮৫ জন আহত ব্যক্তির প্রত্যক্ষ পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১৮০ শিশুর জন্য নিয়মিত শিক্ষা সহায়তা ও মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থা করেছে।
সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন জানান, ২০০৯ সাল থেকেই লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার পরিবারগুলোর খোঁজ নিতেন। শুরুতে একটি ছোট টিম নীরবে কাজ করত। ঈদের খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া, চিকিৎসার খরচ জোগানো বা সন্তানদের পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার কাজগুলো করত সেই টিম। কিন্তু ২০২৩-২৪ সালের দিকে এসে এ নীরব উদ্যোগই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।
বর্তমানে সিলেট, কক্সবাজার, রাঙামাটি, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, বগুড়া, রাজশাহী, পাবনা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, মাগুরা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের ৪০টির বেশি জেলায় এ সংগঠনের মানবিক সহায়তা পৌঁছে গেছে।
মোকছেদুল মোমিন মিথুন বলেন, শুধু অনুদান নয়, সংগঠনটির অন্যতম আলোচিত দিক হলো দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন কার্যক্রম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, নীলফামারীতে শহীদ রব্বানির পরিবারের জন্য নতুন বাড়ি নির্মাণ করা, ফেনীতে বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার শহীদ হারুনের পরিবারের জন্য বাড়ি নির্মাণ করা হয়। এছাড়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য চৌদ্দগ্রাম, বগুড়া ও অন্যান্য এলাকায় ঘর নির্মাণে সহায়তা করা, আহত রিকশাচালক সাইফুলকে নতুন রিকশা উপহার ও অসহায় পরিবারের জন্য অটোরিকশা প্রদান করা হয়।
এতিম শিশু ও শহীদদের সন্তানদের শিক্ষা সহায়তা দেওয়াও আমরা বিএনপি পরিবার এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে জানান সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন।
তিনি বলেন, উল্লেখযোগ্য এ কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে গুম-খুন ও রাজনৈতিক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা বৃত্তি, প্রায় ১৫০ পরিবারের শিশুদের মাসিক শিক্ষা সহায়তা প্রদান, শহীদ রব্বানির মেয়ের পড়াশোনার ব্যয় বহন, রিকশাচালকের মেয়ের শিক্ষার জন্য আর্থিক সহায়তা, শহীদ জাকির ও শহীদ হারুনের পরিবারের মেয়েদের বিয়ের খরচ বহন করা ও এসএসসি পাস করা শহীদ পরিবারের সন্তানদের শুভেচ্ছা উপহার দেওয়া।
মোকছেদুল মোমিন মিথুন জানান, ২০২৪ সালে ফেনী ও নোয়াখালীর বন্যার্তদের মধ্যে খাদ্য ও পোশাক বিতরণ করে সংগঠনটি। ফেনী সদর হাসপাতালে বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও শিশু খাদ্য সরবরাহ করা হয়। এছাড়া ক্যানসার আক্রান্ত, কিডনি রোগী ও হৃদরোগীদের চিকিৎসা সহায়তা করা হয়। ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প ও হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। শাহবাগের অসহায় গোলাপির চিকিৎসা শেষে তার জন্য ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়।
এছাড়া, মাগুরায় শহীদ মশিউরের পরিবার এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুলাই আন্দোলনের শহীদ তারেকের পরিবারের জন্য নতুন বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। যশোরের মনিরামপুর উপজেলার পুর গ্রামে স্থানীয় জনগণের জন্য একটি মসজিদ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, সংগঠনের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন দীর্ঘ সময় ধরে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন। কোথায় কার চিকিৎসা প্রয়োজন, কার সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে, কোথায় শহীদ পরিবারের ঘরে খাবার নেইÑ এসব তথ্য সংগ্রহ করে সহায়তার ব্যবস্থা করে তার টিম।
ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় নজরদারির মধ্যেও ঈদ উপহার, খাদ্যসামগ্রী ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি দলীয় মহলেও বিশেষভাবে আলোচিত।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে বলেন, আমরা বিএনপি পরিবার গুম, খুন ও আন্দোলনে শহীদ এবং আহতদের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় থেকেই গঠিত হয়েছে।
আমরা বিএনপি পরিবারের প্রধান উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বাসস-কে বলেন, আমরা বিএনপি পরিবারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের পক্ষ থেকে যে সহযোগিতাগুলো করা হয়, সেগুলো এ সংগঠনের মাধ্যমে করা হয়। দলের আহত নেতাকর্মী ও নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, কেউ নতুন কিছু আবিস্কার করলে তাকে সহায়তাসহ বিভিন্নভাবে মানুষকে সহায়তা করতে দলের পক্ষ থেকে সংগঠনটি গড়ে তোলা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এ কাজগুলো করা হয়।
তিনি আরও বলেন, এমনও হয়েছে আমরা দেশে থেকেও হয়তো খোঁজ পাইনি, কিন্তু দলের চেয়ারম্যান লন্ডন থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছেন যে কার সহযোগিতা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে তিনি আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দিয়েছেন। তখন আমরা দ্রুত সেই সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়া চেষ্টা করেছি দেশের নানা প্রান্তে। গৃহহীনদের গৃহ নির্মাণ, অটোরিকশা কিনে দেওয়া, চিকিৎসা সহায়তা- এমন নানা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেশের নানা অঞ্চলে ছুটে বেড়াচ্ছেন সংগঠনের সদস্যরা।
আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস আতিকুর রহমান রুমন বাসস-কে বলেন, আমরা অসহায় বিভিন্ন খেলোয়াড়, বিমান দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তি, হাসপাতালে সংকটে ওষুধ সরবরাহ, বন্যা কবলিত অসহায় মানুষ, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকসহ অসংখ্য মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য।
সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন বাসস-কে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মতো মানবিক নেতা বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ও তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের পরিকল্পনায় আমাদের বিশেষ টিম সারা দেশে মানবিক কাজ করার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। জানি না কতটুকু পারছে। তবে আমাদের এই মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে।’
রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মতে, আমরা বিএনপি পরিবার ‘মানবিক রাজনীতি’র বাস্তব প্রয়োগে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে, যেখানে সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাধারা/ডেস্ক

মন্তব্য করুন