বাংলাধারা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১০:৩৬ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

বেরোবিতে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ, আহত ১০

ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত জামায়াত নেতাদের ছবি সংবলিত একটি ফেস্টুন সরানোকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে জানা গেছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে সকাল থেকে স্বাধীনতা স্মারক মাঠে ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক এলইডি স্ক্রিনে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন এবং জুলাই আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন প্রদর্শন করছিল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।

এসব ফেস্টুনের একটিতে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত জামায়াত নেতাদের পাশাপাশি বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ছবিও ছিল। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ওই ফেস্টুন সরানোর দাবি নিয়ে কর্মসূচিস্থলে যায় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে চেয়ার ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। জবাবে শিবিরের নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে পাল্টা ধাওয়া দেন। পরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে বেরোবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি সোহেল রানা, বর্তমান সেক্রেটারি ইমরান খান সৌরভ, শিবির-সমর্থিত প্যানেলের ব্রাকসুর জিএস প্রার্থী মেহেদী হাসান, বাইতুল মাল সম্পাদক বাইজিদ শিকদার ও মুরসালিন এবং ছাত্রদল নেতা আশিকসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী। আহতদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ বিভিন্নভাবে তৎপরতা চালাচ্ছে। এ ধরনের কোনো অশুভ শক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ঢুকে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করা হবে। যারা চিহ্নিত হবে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাধারা/শারমিন

 

মন্তব্য করুন