বাংলাধারা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৯ ঘন্টা আগে, ০৩:১২ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

টানা বর্ষণে রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজারের বেশি মানুষ

ছবি: সংগৃহীত

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাঙামাটি। জেলার বিভিন্ন স্থানে এ পর্যন্ত অন্তত ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক প্লাবনের ঝুঁকি। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি গণমাধ্যমে পাঠান নেজারত শাখার ডেপুটি কালেক্টর শেখ সালমান।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলার ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৪ হাজার ১৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের পাশাপাশি বসতবাড়িরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক-এর বিভিন্ন অংশে পাহাড়ধসের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে সকাল থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বিশেষ করে বাঘাইছড়ি উপজেলা-তে পাহাড়ি ঢলে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উপজেলার কাচালং কলেজ, উপজেলা পরিষদসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাও পানিতে তলিয়ে গেছে।

তবে প্রশাসনের বারবার আহ্বান সত্ত্বেও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী অনেক মানুষ এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা দেখাচ্ছেন। গত বুধবার পর্যন্ত কাপ্তাই উপজেলা-র ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র তিনটিতে ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ফলে অধিকাংশ আশ্রয়কেন্দ্রই প্রায় ফাঁকা পড়ে রয়েছে। একই চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। যদি বৃষ্টিপাত আরও কমে এবং আবহাওয়ার উন্নতি অব্যাহত থাকে, তাহলে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

 

বাংলাধারা/শারমিন
 

মন্তব্য করুন