প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ১০:০৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
প্রশাসনে বড় পরিসরের পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। উপসচিব পদে কর্মরত ১৭৯ জন কর্মকর্তাকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রশাসনে প্রথম বৃহৎ আকারের পদোন্নতি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আপাতত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে ন্যস্ত করা হয়েছে। তবে তাদের নতুন কর্মস্থলে পদায়নের বিষয়ে এখনো কোনো পৃথক আদেশ জারি করা হয়নি।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরাসরি সিনিয়র সচিব বরাবর অথবা নির্ধারিত ই-মেইলের মাধ্যমে যোগদানপত্র পাঠাতে পারবেন। পদোন্নতির আদেশে উল্লেখিত কর্মস্থল পরিবর্তিত হয়ে থাকলে বর্তমান কর্মস্থলের নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে যোগদানপত্র জমা দিতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিরূপ বা ভিন্নধর্মী তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পদোন্নতির আদেশ সংশোধন বা বাতিল করার অধিকার সরকার সংরক্ষণ করবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা দুটি প্রজ্ঞাপনের মধ্যে একটিতে ১৭২ জন এবং অন্যটিতে আরও ৭ জন কর্মকর্তাকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে একদিনে মোট ১৭৯ জন কর্মকর্তা এই পদে উন্নীত হলেন।
এই পদোন্নতির পর বর্তমানে প্রশাসনে যুগ্ম-সচিবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬১ জন। পদোন্নতির ক্ষেত্রে মূলত বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পূর্বে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কয়েকজন কর্মকর্তাও এবার পদোন্নতির তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
‘সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’ অনুযায়ী, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিবদের বিবেচনায় নেওয়ার বিধান রয়েছে।
বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো কর্মকর্তা যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হতে হলে উপসচিব হিসেবে কমপক্ষে পাঁচ বছরের চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারে ন্যূনতম ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিকল্পভাবে, উপসচিব পদে অন্তত তিন বছরের চাকরিসহ মোট ২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলেও তিনি পদোন্নতির জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
বাংলাধারা/শারমিন
মন্তব্য করুন