হারুন অর রশিদ, ফেনী

প্রকাশিত: ২৩ ঘন্টা আগে, ০২:৫৮ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

ফেনীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির সদস্য আবদুল মোতালেবকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কমিটি

ছবি; সংগৃহিত

এবং মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন আপিল কমিটিতে সদস্য করা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি দুটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে নিষিদ্ধ সংগঠনের পদধারী নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।অনুসন্ধানে জানা যায়, আবদুল মোতালেব ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির ৫১ নম্বর সদস্য। এছাড়া তিনি জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সদস্যসচিব এবং জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আছেন। স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও আইনজীবীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন—সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকে কীভাবে এসব কমিটিতে রাখা হলো এবং এর পেছনে কারা জড়িত তা তদন্ত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতেরও কিছু ব্যক্তিগত অভিযোগ ফেসবুকে সরব রয়েছে।

প্রশাসনের বক্তব্য ও এমপি কোটা:এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুল মোতালেব দাবি করেন, তিনি কোনো পদে থাকার জন্য তদবির করেননি এবং প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কমিটিতে তাঁর নাম কীভাবে এল তা তিনি জানেন না। তবে সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে আপিল কমিটিতে তাঁর থাকার যৌক্তিকতা রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।অন্যদিকে, ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক জানান, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিনের অনুরোধের ভিত্তিতেই আবদুল মোতালেবকে মুক্তিযোদ্ধা আপিল কমিটিতে সদস্য করা হয়েছিল। শিক্ষক বদলি কমিটিসহ অন্যান্য পদে তাঁকে ঘিরে যেহেতু সমালোচনা তৈরি হয়েছে, সেহেতু তাঁকে বাদ দেওয়া যেতে পারে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

বাংলাধারা/ডেস্ক

মন্তব্য করুন