ঢাকা, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২

নির্বাচনের আগে বৈধ অস্ত্র জমায় কড়াকড়ি, সময়সীমা নির্ধারণ সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: জানুয়ারী ১৯, ২০২৬, ১২:৩৬ দুপুর  

ফাইল ছবি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে লাইসেন্সধারী সব বৈধ অস্ত্র আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রকাশ্য প্রদর্শন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য সহিংসতা ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তবে নির্ধারিত নীতিমালার আওতায় ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ এবং জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের জন্য বরাদ্দ বৈধ অস্ত্রের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র দাখিল ও বৈধভাবে গৃহীত প্রার্থীদের পাশাপাশি তাদের জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনাররাও এই বিধিনিষেধের বাইরে থাকবেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ আদেশ কার্যকরে দেশের সব পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচনকালীন সময় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অস্ত্র জমা ও বহনে নিষেধাজ্ঞা একটি নিয়মিত ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এতে সহিংসতা ও ভয়ভীতির ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে।

নির্বাচনী নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভোটের পরিবেশ আরও শান্ত থাকবে। তবে তারা মাঠপর্যায়ে তদারকি ও নজরদারি জোরদারের ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।


বাংলাধারা/এসআর