জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মারণাস্ত্র ব্যবহার করবে না বিজিবি
প্রকাশিত: জানুয়ারী ৩১, ২০২৬, ০২:১৩ দুপুর
ছবি: সংগৃহিত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কোনো ধরনের লেথাল ওয়েপন বা মারণাস্ত্র ব্যবহার করবে না বলে জানিয়েছেন বাহিনীর ঢাকা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এস এম আবুল এহসান।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে মিরপুর জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে স্থাপিত অস্থায়ী বেস ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
কর্নেল আবুল এহসান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন- সেই লক্ষ্যেই এই নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত নিরাপদ রাখার পাশাপাশি সারাদেশে ৩৭ হাজারেরও বেশি বিজিবি সদস্য নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন করবেন। দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টিতে বিজিবি মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে দেশের সব ৩০০টি সংসদীয় আসনেই বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্বে থাকবে। উপজেলাভেদে ২ থেকে ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।
নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (আরএটি), হেলিকপ্টারসহ কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিটও মাঠে থাকবে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে চলমান মহড়া ও সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কর্নেল আবুল এহসান বলেন, “এখন পর্যন্ত নির্বাচনে কোনো ধরনের শঙ্কার কথা আমরা দেখছি না। আমাদের মহাপরিচালকের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে- নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি কোনো অবস্থাতেই লেথাল ওয়েপন ব্যবহার করবে না।”
হটলাইন বা জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিজিবির প্রতিটি বেস ক্যাম্পের মোবাইল নম্বর সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে। যেকোনো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে তারা সরাসরি বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমেও এমন তথ্য জানানো যাবে।
বাংলাধারা/এসআর
