ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রধান নির্বাচক পদে প্রস্তাব পেলেন হাবিবুল বাশার

স্পোর্টস্ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৪:৩১ দুপুর  

ছবি: সংগৃহিত

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক পদে দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তিনি প্রস্তাব গ্রহণ করলে প্রথমবারের মতো প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করবেন।

জাতীয় দলের হয়ে ৫০টি টেস্ট ও ১১১টি ওয়ানডে খেলা ‘মিস্টার ফিফটি’ খ্যাত এই সাবেক ব্যাটার বর্তমানে বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ গেম ডেভেলপমেন্টের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কর্মরত। এর আগে নারী উইংয়ের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি।

২০১৬ সালে প্রথমবার নির্বাচক প্যানেলে জায়গা পান বাশার। এরপর টানা প্রায় আট বছর প্যানেলের অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় প্রধান নির্বাচক ছিলেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু এবং তার আগে দায়িত্বে ছিলেন ফারুক আহমেদ। নির্বাচক হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকায় তাকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে বোর্ড।

বর্তমান প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু দায়িত্বে আর থাকতে আগ্রহী নন বলে বোর্ডকে জানিয়েছেন। তার মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি মাসেই। বিসিবি তাকে অন্তত আরও দুই থেকে তিন মাস দায়িত্ব চালিয়ে যেতে অনুরোধ করেছে এবং স্বল্প সময়ের জন্য তিনি রাজিও হয়েছেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে নতুন চুক্তি নবায়নের সম্ভাবনা নেই।

লিপুর নেতৃত্বাধীন নির্বাচক প্যানেলে ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক ও হান্নান সরকার। কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করার লক্ষ্যে হান্নান প্যানেল থেকে সরে দাঁড়ান। পরে তার জায়গায় যুক্ত হন হাসিবুল হোসেন শান্ত। অন্যদিকে রাজ্জাক বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতির কারণে নির্বাচক প্যানেল ছাড়েন।

২০২৪ সালে নান্নুর জায়গায় প্রধান নির্বাচক করা হয় লিপুকে। তখনই আগের প্যানেলের সদস্যদের পরিবর্তন আনা হয়। নতুন করে কাঠামো সাজানোর অংশ হিসেবে এবার বাশারকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে বলে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেটে নির্বাচক প্যানেলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। বাশার প্রস্তাব গ্রহণ করলে জাতীয় দলের নির্বাচনী নীতিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাধারা/এসআর