ভুল বালিশে শুয়েই বাড়ছে ফুসফুসের ঝুঁকি
প্রকাশিত: আগস্ট ২৮, ২০২৫, ০৯:১৮ রাত

ছবি: সংগৃহিত
দিনভর ক্লান্তি, ঘুম থেকে উঠে নাক বন্ধ থাকা, বারবার হাঁচি বা দীর্ঘদিনের কাশি, এসব সমস্যার কারণ হিসেবে অনেকেই আবহাওয়া, ঠান্ডা-সর্দি কিংবা অ্যালার্জিকে দায়ী করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এর জন্য দায়ী হতে পারে প্রতিরাতের ব্যবহার করা বালিশ।
চিকিৎসকরা বলছেন, পুরোনো বা অপরিষ্কার বালিশে ধুলা, ছত্রাক ও অ্যালার্জেন জমে থাকে, যা ফুসফুসের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যাদের হাঁপানি বা সাইনাসের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এটি আরও বিপজ্জনক। দীর্ঘদিন এমন বালিশে ঘুমালে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিস কিংবা পালমোনারি ফাইব্রোসিসের মতো জটিল রোগ হতে পারে।
অপরিষ্কার বালিশে জন্ম নেওয়া ধুলো-কণা ও ফাঙ্গাস শ্বাসনালিতে প্রদাহ তৈরি করে। বিশেষ করে ফোম বালিশে ছাঁচের উপস্থিতি সরাসরি নিউমোনাইটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। চিকিৎসা না করলে এটি ফুসফুসের স্থায়ী ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, ঘুম থেকে উঠে নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি, চোখ চুলকানো, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হলে বালিশ পরিবর্তন করা উচিত। এছাড়া বালিশে দৃশ্যমান দাগ, দুর্গন্ধ বা ভেতরের তুলো দলা পাকিয়ে গেলে দ্রুত বদলানো জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা জানান, সাধারণভাবে প্রতি এক থেকে দুই বছরে একবার বালিশ বদলানো ভালো। তবে হাঁপানি, সাইনাস বা দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগে আক্রান্তদের জন্য প্রতি তিন থেকে ছয় মাসে বালিশ পরিবর্তন করাই সবচেয়ে নিরাপদ।
বাংলাধারা/এএস