গুম প্রতিরোধে নতুন আইন, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
প্রকাশিত: আগস্ট ২৮, ২০২৫, ০৭:২১ বিকাল

ছবি: সংগৃহিত
গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ–২০২৫-এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচারে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে এই নতুন আইনে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এসব ট্রাইব্যুনালকে ১২০ দিনের মধ্যে বিচার কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হবে। আজকের বৈঠকে আইনের খসড়াটি নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চিলাহাটি, দৌলতগঞ্জ ও তেগামুখ স্থলবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া বাল্লা স্থলবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রেস সচিব জানান, বর্তমানে এসব স্থলবন্দরে কোনো কার্যক্রম চলছে না। আরও চারটি স্থলবন্দর নিয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে প্রতি বছর ১৭ অক্টোবর লালন সাঁই-এর তিরোধান দিবসকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এতদিন কেবল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী ও মৃত্যুবার্ষিকীগুলোই ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হতো।
ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাধারা/এএস