ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২

গুম অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয়, ট্রাইব্যুনাল আইনে বিচার সম্ভব : চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: এপ্রিল ০৭, ২০২৬, ০৩:২৪ দুপুর  

ছবি: সংগৃহিত

গুম সংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, বিদ্যমান ট্রাইব্যুনাল আইনেই এ ধরনের অপরাধের বিচার সম্ভব ছিল।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম অধ্যাদেশে যে অপরাধের কথা উল্লেখ ছিল, তা আগে থেকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের আওতায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ফলে একই বিষয় নিয়ে নতুন করে আলাদা আইন ও ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রয়োজন ছিল না। “আমার কাছে মনে হয়নি, এ জন্য আলাদা কোনো আইন দরকার ছিল,” যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, গুম অধ্যাদেশ যদি বাতিল করে ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে একীভূত করা হয়ে থাকে, তবে এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এ জন্য আইনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। তার মতে, এ ধরনের একীভূতকরণ আইনের কার্যকারিতা বাড়াবে এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত করবে।

এদিকে, গুমের বিচারের পথ সুগম করতে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস (সংশোধন) বিল-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। সংশোধনীতে গুমকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংসদ অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। নতুন এই সংশোধনের ফলে ট্রাইব্যুনাল আইনের আওতায় গুমের অভিযোগের বিচার আরও সুস্পষ্টভাবে পরিচালিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বাংলাধারা/এসআর