ঢাকা, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া, তাপমাত্রা নেমেছে ৮ ডিগ্রিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: জানুয়ারী ১৭, ২০২৬, ১২:২১ দুপুর  

ছবি: সংগৃহিত

হিমালয়ের নিকটবর্তী হওয়ায় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। কনকনে ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষরা।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার। এর তিন ঘণ্টা আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল থেকেই উত্তর দিক থেকে হিমেল বাতাস বইতে শুরু করে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় চারপাশ। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশের সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।

চরম শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন চা-শ্রমিক, পাথরশ্রমিক, রিকশা ও ভ্যানচালকসহ দিনমজুররা। শীতের কারণে অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না, ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে দৈনন্দিন আয়। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কনকনে শীতে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তারা।

শীত নিবারণের জন্য বিভিন্ন এলাকায় খড়কুটো জ্বালিয়ে বাড়ির আশপাশ ও পথঘাটে আগুন পোহাতে দেখা গেছে শীতার্ত মানুষদের। তবে নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের ব্যবস্থা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে, প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। অনেকেই সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে তেঁতুলিয়ার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, কয়েক দিন ধরেই তেঁতুলিয়ায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শনিবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় কম। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।


বাংলাধারা/এসআর