জনগণদেরকে বোকো বানিয়ে কোটি কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি
প্রকাশিত: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ০৮:৪৮ রাত

জামালপুরে সদর উপজেলায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জামালপুরের একদিকে দরিদ্রদের মাঝে অল্প টাকা সামগ্রী বিতরণ এবং সাধারণ জনগণদেরকে বোকো বানিয়ে অন্যদিকে কোটি কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি তার আংশিক প্রমাণ স্বরভ সযত্নে রয়েছে সাংবাদিকের হাতে।
সরকারি উন্নয়ন ও অবকাঠামো কাজের বিল না দেখেই চেকে স্বাক্ষর করছেন সরকারি কর্মকর্তারা বিনিময়ে নেয় লক্ষ লক্ষ টাকা পার্সেন্টেজ কিছু অসাধু ঠিকাদারদের কাছ থেকে এখানেই শেষ নয়।
একটু মনোযোগ সহকারে খেয়াল করে দেখবেন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের ফেসবুক প্রোফাইলগুলো।
জামালপুর সরকারি কর্মকর্তারা ও কর্মচারীরা ডিজিটাল স্টাইলে bersal platform এ- সাধারণ জনগণদেরকে বোকা বানিয়ে নতুন কৌশলে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উন্নয়ন ও অবকাঠামো কাজের লোক দেখানো পরিদর্শনের নামে গিয়ে প্রথমেই তারা একটি কাজ করবে খন্ড খন্ড কিছু জায়গা কাজ চলমান ঠিক সেই জায়গায় গুলোতে দাঁড়িয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের নিয়ে অথবা কিছু দরিদ্র মানুষের সাথে সেলফি তুলবে এবং তার কিছু খন পরেই দেখবেন তাদের ফেসবুক স্ট্যাটাস।
সেখানে লেখা থাকবে সরকারি উন্নয়নমূলক পরিদর্শনকালে অথবা দরিদ্র মানুষদের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। ওমুক কর্মকর্তা অমুক অমুক অমুক অন্য দিকে তাদের কর্মচারীদেরকে দিয়ে পার্সেন্টেজ লেনদেন কাজ চলমান...
কর্মকর্তার অফিসের ফিরে তার আন্ডারে কর্মচারীদের বলবেন তোমাদের কাজ সম্পূর্ণ যদি বলে জি স্যার তা হলে ফাইল নিয়ে আসো অথবা কর্মচারী এগিয়ে গিয়ে বলবে স্যার আপনি যে-ই অ্যামাউন্ট বলে ছিলেন ঐটাই আছে এই খানে একটি স্বাক্ষর করে দিন। তারপর কি আর ঐ কাগজ দেখার প্রয়োজন পড়ে.?
এখন বলতে পারেন এ-ই টাকা গুলো কোথায় থেকে আসে- এবং দুর্নীতি গুলো কোন কোন জায়গা থেকে কি ভাবে করা হয়। তা হলে বলছি...
দুর্নীতিগুলো দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছে খুব সহজ যেমন তাদের একটি স্বাক্ষর আর পরিদর্শনের নামে একটু ভ্রমণ আরেকটু ফটো শট বলা যায়।
দুর্নীতির খাত গুলো হচ্ছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের হতদরিদ্র কর্ম সৃজন থেকে শুরু করে সরকারি বরাদ্দকৃত রাস্তার ব্রিজের ১০০% কাজ করার কথা থাকলেও ৫০% কাজের পর লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে ঠিকাদারের বিলে স্বাক্ষর করে চেক প্রধান করা এবং সদর উপজেলা পি আই ও অফিসে চারটি কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে লটারি হলে একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের এবং কাগজপত্র ঠিক না থাকলেও লটারিতে কাজ উঠার পর ঐ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়। তাহার প্রমাণ রয়েছে সাংবাদিকের হাতে এবং ১০০% কাজ বুঝে না নিয়ে বিলে স্বাক্ষর করে চেক দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে যে কোনো তদন্ত না করেই রিপোর্ট দেওয়া। সরকারি কৃষি খাত থেকে শুরু করে হতদরিদ্রদের অনুদানে টাকা আত্মসাত করা সহ ইত্যাদি। জামালপুরের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করছেন।