সাগরে নতুন লঘুচাপের সম্ভাবনা, বাড়বে বৃষ্টি
প্রকাশিত: আগস্ট ২৩, ২০২৫, ০১:২৪ দুপুর

ছবি: সংগৃহিত
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় আগামী তিন দিনের মধ্যে নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে প্রকাশিত ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ বিস্তৃত রয়েছে রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত। এর একটি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত প্রসারিত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শনিবার থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেটের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।
রবিবার থেকে সোমবার সকাল পর্যন্তও একই ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামে আবারও ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেটে অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে এবং দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত দেশের আটটি বিভাগেই বিচ্ছিন্নভাবে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণও ঘটতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগে কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রাও সামান্য বাড়তে পারে।
বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, এ সময়ের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
এর আগে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে, যা ছিল ৯৫ মিলিমিটার। এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বাংলাধারা/এসআর